নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধর, মুক্তিপণ আদায়, বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা শিশির আহম্মদ তালুকদার রাতুলকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের চরপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। রাতুল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পূর্বধলা উপজেলা সদর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক।
ভুক্তভোগী কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার এজাহার এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৫৪তম আবর্তনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শরীফ হোসেন রওশন (২০) গত ১০ জুন নেত্রকোনা শহরে যাওয়ার পথে ভুলবশত পূর্বধলার শালদিঘা এলাকায় নেমে পড়েন। পরে তিনি ত্রিমোহনীর দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নগদ ৪ হাজার ৫৬০ টাকা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা, বিকাশ ঋণ সুবিধা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এতে তার মোট ১৬ হাজার ৬০ টাকার ক্ষতি হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত তথ্য যাচাইয়ের পর হামলাকারীরা তাকে আরও নির্যাতন করে, জোরপূর্বক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে বক্তব্য ও স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং বিবস্ত্র অবস্থায় তার ভিডিও ধারণ করে। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজন ব্যক্তিকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারা এবং সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে রাতুলের অবস্থান শনাক্ত করে ময়মনসিংহ শহরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে ভুক্তভোগীর ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন এবং লুট করা অর্থের ৪ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পূর্বধলা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিকে রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অন্যান্য আসামিদেরও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শনিবার (১৩ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের চরপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। রাতুল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পূর্বধলা উপজেলা সদর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক।
ভুক্তভোগী কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার এজাহার এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৫৪তম আবর্তনের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মো. শরীফ হোসেন রওশন (২০) গত ১০ জুন নেত্রকোনা শহরে যাওয়ার পথে ভুলবশত পূর্বধলার শালদিঘা এলাকায় নেমে পড়েন। পরে তিনি ত্রিমোহনীর দিকে হেঁটে যাওয়ার সময় কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নগদ ৪ হাজার ৫৬০ টাকা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা, বিকাশ ঋণ সুবিধা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এতে তার মোট ১৬ হাজার ৬০ টাকার ক্ষতি হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত তথ্য যাচাইয়ের পর হামলাকারীরা তাকে আরও নির্যাতন করে, জোরপূর্বক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে বক্তব্য ও স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং বিবস্ত্র অবস্থায় তার ভিডিও ধারণ করে। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চারজন ব্যক্তিকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারা এবং সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে রাতুলের অবস্থান শনাক্ত করে ময়মনসিংহ শহরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে ভুক্তভোগীর ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন এবং লুট করা অর্থের ৪ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
পূর্বধলা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিকে রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অন্যান্য আসামিদেরও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অনলাইন ডেস্ক